Powered by Blogger.

Thursday, May 14, 2020

Call of Duty: Mobile | All MP Mode Explained | Bangla


কল অফ ডিউটি মোবাইল বিনামূল্যে খেলা যায়(ফ্রি-টু-প্লে) এমন  একটি ফার্স্ট-পারসন-শ্যুটার মোবাইল গেইম। এটি শিনজেন, চীন ভিত্তিক ভিডিও গেইম প্রতিষ্ঠান 'টিমি স্টুডিও' বানিয়েছে এবং প্রকাশ করেছে ক্যালোফোর্নিয়া ভিত্তিক ভিডিও গেইম প্রতিষ্ঠান 'এক্টিভিশন'। এন্ডয়েড ও আইওএস দুটো প্ল্যাটফর্মের জন্যই এই গেইমটি আছে। এটি সর্বপ্রথম ২০১৯ সালের পহেলা অক্টোবর সারা বিশ্বজুড়ে মুক্তি দেয়া হয়। প্রথম মাসেই যা প্রায় ১৪.৮ কোটি বার ডাউনলোড হয়েছে এবং মোবাইল গেইমের ইতিহাসে রেকর্ড সৃষ্টি করে প্রায় ৪৬০ কোটি টাকা রেভিনিউ তুলেছে। বছরের শেষ তিন মাসে এটি প্রায় ১৮ কোটি বার ডাউনলোড করা হয়েছে এবং গেইম ইন্ডাস্ট্রির মোট ডাউনলোডের এক-চতুর্থাংশ এবং ২য় সর্বোচ্চবার ডাউনলোড করা হয়েছে।

কল অফ ডিউটি মোবাইল এ মূলত তিনটি মোড আছে। যথাঃ- মাল্টিপ্লেয়ার, ব্যাটেল রয়্যাল এবং জম্বি। আজকে আমরা আলোচনা করব মাল্টিপ্লেয়ার মোডটি নিয়ে। মাল্টিপ্লেয়ার-এ প্লেয়ার নন-র‍্যাংকড বা র‍্যাংকড যেকোনো একটি বাছাই করতে পারে। র‍্যাংকড হল গেইম খেলার পর হারা-জিতার পর সে অনুযায়ী পয়েন্ট(+/-) দেয়া হয়। এছাড়াও বিভিন্ন র‍্যাংক আছে রুকি থেকে শুরু এবং যথাক্রমে ভেটেরান, এলিট, প্রো, মাস্টার হয়ে লিজেন্ডারী তে গিয়ে শেষ। আর নন-র‍্যাংকড হল এরকম কিছু নাই। শুধু মজা করে খেলা। যাই হোক, আজকে আমরা এইসব সিস্টেম নিয়ে আলোচনা করব না। আমরা আলচনা করব মাল্টিপ্লেয়ার মোডে যে সকর সাব-মোড আছে সেগুলো নিয়ে।

মাল্টিপ্লেয়ার এর মোড গুলার আবার দুটো প্রধান ভাগ আছে। যথাঃ- কোর আর ফিচারড। এরমধ্যে ফিচারড মোড গুলো হল যেগুলো বিভিন্ন ইভেন্টে এই মোড গুলো গেইমে আসে এবং কয়েকদিন পর চলে যায় আর কোর মোড গুলো হল সেগুলো যা গেইমে সবসময় থাকে, ১-২ সপ্তাহ পরে চলে যাবে না।

কোর মাল্টিপ্লেয়ার মোডঃ
১। ফ্রন্টলাইন (FRONTLINE),
২। টিম ডেথম্যাচ (TEAM DEATHMATCH),
৩। হার্ডপয়েন্ট (HARDPOINT),
৪। সার্চ ও ডেস্ট্রয় (SEARCH & DESTROY) এবং 
৫। ডমিনেশন (DOMINATION)
এবং আরেকটি মোড আছে প্র্যাকটিস ভার্সেস এআই (PRACTICE VS. AI), যেটায় পাঁচটি মোড বট-এর সাথে খেলা লাগে। আমরা শুরুতে মেইন পাঁচটি কোর মোড নিয়ে আলচনা করব।












১। ফ্রন্টলাইন (FRONTLINE)

ফ্রন্টলাইন মোডে দু'টি টিমে ৫ জন করে মোট ১০ জন প্লেয়ার দু'টি স্পোন লোকেশন-এ নামিয়ে দেয়া হয়। স্পোন লোকেশন হল    এই চিহ্ন যুক্ত জায়গা, যেখানে প্লেয়ার মারা যাওয়ার পর রি-স্পোন বা পুনরায় জীবিত হয়। প্রতি টিমের জন্য একটি করে স্পোন লোকেশন নির্দিষ্ট থাকে। তার মানে একজন প্লেয়ার যেখানেই মারা যাক না কেন রি-স্পোন হবে তার টিমের জন্য নির্দিষ্ট জায়গায়। এই মোডের মূল কথা হল, এনিমিকে মারা। যেটিম সম্মিলিতভাবে নির্দিষ্ট পরিমাণ এনিমি(সাধারণত ৫০) আগে মারতে পারবে, (যাকে স্কোর পয়েন্টও বলে), সেটিমই বিজয়ী হবে। এই সবকিছু হতে হবে ১০ মিনিটের মধ্যে। ১০ মিনিট শেষ হয়ে গেলে যে টিমের স্কোর পয়েন্ট বেশি, তারাই জিতবে।

২। টিম ডেথম্যাচ (TEAM DEATHMATCH)
টিম ডেথম্যাচ আর ফ্রন্টলাইন মোড প্রায় একই। পার্থক্য হল, ফ্রন্টলাইন-এ স্কোর পয়েন্ট থাকে ৫০ আর টিম ডেথম্যাচ-এ ৪০। তবে এটা নন-র‍্যাংকড ম্যাচে। র‍্যাংকড ম্যাচে স্কোর পয়েন্ট হয় ৫০। আরেকটি পার্থক্য হল, টিম ডেথম্যাচে কোনো নির্দিষ্ট স্পোন লোকেশন থাকে না। এক্ষেত্রে প্রতি বার মারা যাওয়ার পর যে জায়গায় সর্বোচ্চ টিমমেট জীবিত আছে সেখনেই প্লেয়ার রি-স্পোন হবে।

৩। হার্ডপয়েন্ট (HARDPOINT)
হার্ডপয়েন্ট মোড-এ   , এই চিহ্নযুক্ত কিছু স্থান ম্যাপে আসে এবং তা ১ মিনিটের জন্য থাকে। কোনো টিমের একজন প্লেয়ার যদি ঐ লোকেশনে গিয়ে দাঁড়ায় তাহলে প্রতি এক সেকেন্ডের জন্য এক পয়েন্ট যুক্ত হয়। আর যদি কোনো এনিমিও একই সময়ে ঐ লোকেশনে থাকে তাহলে কোনো টিমেই কোনো পয়েন্ট যুক্ত হয় না, যতক্ষণ না এক টিম ঐ লোকেশন থেকে সরে যাচ্ছে বা মারা যাচ্ছে। এই মোডে এনিমি কিল করার উপর পয়েন্ট নির্ভর করে না। তাই এই হার্ডপয়েন্ট-এ শুধু এনিমি কিল করলেই জিতা যাবে না। যে টিম আগে স্কোর পয়েন্ট(১৫০)-এ যেতে পারবে সে টিম বিজয়ী হবে।

৪। সার্চ ও ডেস্ট্রয় (SEARCH & DESTROY)
সার্চ ও ডেস্ট্রয়, নামের সাথে মিল রেখেই এই মোড-এ দু'টি টিমকে দু'টি কাজে ভাগ করা হয়। যথাঃ- এটাকার ও ডিফেন্ডার। পুরো গেইমটি ১০টি ছোট রাউন্ড-এ ভাগ করা থাকে। সেগুলো হল- প্রথমে এক টিম এটাকার আরেক টিম ডিফেন্ডার থাকে টানা চার রাউন্ড, এরপর এটাকার টিম ডিফেন্ডার আর ডিফেন্ডার টিম এটাকার হয়ে খেলে আরো চার রাউন্ড, এরপর এক রাউন্ড পর এটাকার ডিফেন্ডার পরিবর্তন হয়।  এখন কথা হলো এই এটাকার ডিফেন্ডার টিমের কাজ কি, স্কোর পয়েন্টই বা কিভাবে আসে?
এই মোড-এ এটাকার টিমকে একটি বোম্ব দেয়া হয়। বোম্ব প্ল্যান্ট লোকেশন A ও B নামে দু'টি জায়গা থাকে, যেখানে বোম্ব প্ল্যান্ট করতে হয়। এটাকার টিমের কাজ হলো বোম্বটিকে নিয়ে যেকোনো একটি জায়গায় প্ল্যান্ট করা। আর ডিফেন্ডার টিমের কাজ হলো এটাকার টিমকে বোম্ব প্ল্যান্ট জায়গায় বোম্ব প্ল্যান্ট করতে না দেয়া। এটাকার টিম জিতে যাবে যদি তারা বোম্ব A বা B লোকেশনে প্ল্যান্ট করতে পারে এবং তা ডেটোনেট বা ফেটে যায় অথবা সকল ডিফেন্ডার-কে মেরে ফেলতে পারে। আর ডিফেন্ডার টিম জিতে যাবে যদি এটাকার টিমের সবাই বোম্ব প্ল্যান্ট না করে মারা যায় অথবা প্ল্যান্ট করে ফেললে তা ডিফিউজ করে ফেলতে পারে। এসকল শর্তাবলি কার্যকর হবে তা যদি নির্দিষ্ট সময়ের(আড়াই মিনিট) মধ্যে হয়। যদি সময় শেষ হয়ে যায় এবং এটাকার টিম বোম্ব প্ল্যান্ট না করতে পারে বা বোম্ব ডিটোনেট না হয় তবে ডিফেন্ডার টিম জিতে যাবে। 
বিঃদ্রঃ এই মোড-এ এটাকার ও ডিফেন্ডার-এর স্পোন লোকেশন নির্দিষ্ট থাকে এবং কেউ এক রাউন্ডে মারা গেলে সে উক্ত রাউন্ডে আর রি-স্পোন হবে না। তাকে পরের রাউন্ড পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

৫। ডমিনেশন (DOMINATION)
ডমিনেশনে তিনটি পয়েন্ট থাকে (A, B, C)। প্রতি টিমকে ঐ পয়েন্ট গুলো ক্যাপচার বা ধরতে হয় মানে টিমের যেকোনো একজন লোকেশনে গিয়ে দাঁড়াতে হয় যতক্ষন না সে জায়গাটি সে টিমের নামে মার্কড না হয়। এক্ষেত্রে হার্ডপয়েন্ট মোডের সাথে পার্থক্য হল এখানে লোকেশন ক্যাপচার হলে ঐ জায়গায় দাঁড়িয়ে থাকতে হয় না। তবে এখানেও একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য এক পয়েন্ট দেয়া হয়। স্পোন লোকেশন নির্দিষ্ট থাকে আর ফাইনাল স্কোর পয়েন্টের অর্ধেকে গিয়ে সে স্পোন লোকেশন দুই টিমের মধ্যে উলটপালট হয়। নন-র‍্যাংকের জন্য ফাইনাল স্কোর পয়েন্ট ১০০ আর র‍্যাংক মোডের জন্য ১৫০। একটি লোকেশন একবার ক্যাপচার হয়ে গেলে এনিমি টিমের কেউ আবার সেটা ক্যাপচার না করা পর্যন্ত পয়েন্ট বাড়তেই থাকে।

ফিচারড মাল্টিপ্লেয়ার মোডঃ
ফিচারড মোড গুলা প্রায়শই পরিবর্তন হতে থাকে। কারণ একেকটী মোড মাত্র কয়েকদিনের জন্য আসে। তবে এদের মধ্যে কিছু আমরা এখানে জানব।

১। ক্যাপচার দ্যা ফ্ল্যাগ (CAPTURE THE FLAG)
এতে সর্বোমোট দু'টি রাউন্ড হয়। একটি রাউন্ড-এর পর সাইড পরিবর্তন হয়। মানে লাল ও নীল এ দু'টি টিমের স্পোন লোকেশন পরিবর্তন হয়। স্পোন লোকেশন-এর কাছেই নিজ টিমের গোল্ড বক্স থাকে। এবং চেষ্টা করতে হয় এনিমি টিমের গোল্ড বক্স ক্যাপচার করতে। যে টিম আগে তিন বার এনিমি গোল্ড ক্যাপচার করতে পারবে তারা অথবা সময় শেষ হয়ে গেলে যে টিমের ক্যাপচারড গোল্ড বেশি তারাই বিজয়ী হবে। কোনো প্লেয়ার এনিমি গোল্ড বক্স এর কাছে গেলে এনিমি গোল্ড স্টিল বা চুরি করা হবে। এনিমি গোল্ড তখনই ক্যাপচারড হবে যদি টিমের কেউ এনিমি গোল্ড চুরি করে আবার নিজেদের গোল্ড বক্স এর কাছে আসতে পারে। এর মধ্যে সে মারা গেলে তার চুরি করা গোল্ড পরে যাবে। তবে নিজের টিমের অন্যকেউ তা আবার তুলে নিজেদের গোল্ড বক্স এর কাছে নিয়ে আসতে পারবে। কিন্তু পরে যাওয়া গোল্ড এনিমি কেউ নিয়ে নেয় তবে তা সরাসরি এনিমি গোল্ড বক্স এ স্থানান্তরিত হয়ে যাবে, নিয়ে যাওয়া লাগবে না। একে বলে গোল্ড রিটার্ন্ড।এ খেলার ট্রিক্স হচ্ছে টিমের দু'জন নিজেদের গোল্ড পাহারা দেয়া আর তিন জন এনিমি টিমের গোল্ড চুরির চেষ্টা করা।

২। কিল কনফার্মড (KILL CONFIRMED)
এটা টিম ডেথম্যাচ-এর মতই, স্কোর পয়েন্টও ৪০ তবে পার্থক্য হলো এখানে মারা গেলে ডগ ট্যাগ পরে। এনিমি টিমের প্লেয়ার-এর ডগ ট্যাগ লাল রঙের আর নিজের টিম-এর প্লেয়ার-এর ডগ ট্যাগ নীল রঙের হয়। এনিমি ডগ ট্যাগ (লাল রঙের) সংগ্রহ করলে পয়েন্ট যোগ হয় আর নিজেদের ডগ ট্যাগ সংগ্রহ করলে তা ডিনাইড বা বাতিল হয়ে যায়। তার মানে এনিমি পয়েন্ট পাবে না। যে টিম আগে ফাইনাল স্কোর পয়েন্ট করতে পারে তারাই বিজয়ী হয়। 

৩। রাস্ট (RUST)
রাস্ট মূলত একটি ম্যাপ। এটি সিজন ৬ এ যোগ হয়। এই মোড-এ খেলা সবসময় রাস্ট ম্যাপে হবে তবে গেইম মোড হবে ৫টি কোর মোড-এর যেকোনো একটি।

৪। ২ ভি ২ শোডাউন (2v2 SHOWDOWN)
এই মোড-এ ৪ জন প্লেয়ার দু'জন করে দুই টিমে ভাগ হয়ে খেলে। একটি নির্দিষ্ট সময় থাকে যার মধ্যে এক টিম আরেক টিমকে মারা চেষ্টা করতে থাকবে এবং নির্দিষ্ট সময় পর ম্যাপে একটি পয়েন্ট আসবে, যা ক্যাপচার করতে হবে। আর যদি কেউই পয়েন্ট ক্যাপচার করতে না পারে তবে যে টিমের হেলথ বেশি থাকবে তারাই বিজয়ী হবে। এতে অস্ত্র র‍্যানডম ভাবে আসে যা দু'রাউন্ড পর পর পরিবর্তন হয়। সকল মাল্টিপ্লেয়ার মোড-এ সাধারণত হেলথ সময় গেলে রিকোভার হয়। কিন্তু এই মোড-এ হেলথ রিকোভার হয় না।

৫। গান গেইম (GUN GAME)
গান গেইম-এ মোট আটজন প্লেয়ার খেলে এবং এতে কোনো টিম নেই। মানে হলো সবাই নিজে নিজে একজনের টিম। এতে বিভিন্ন গান আসে, যা একজন এনিমি কিল না করা পর্যন্ত থাকে। একজনকে কিল করলেই নতুন একটি গান আসে। এতে সব ধরণের গান আসতে থাকে। প্রতিটি কিলের জন্য এক পয়েন্ট। যে আগের ২০ পয়েন্ট করতে পারবে সেই বিজয়ী।

৬। ফ্রি ফর অল (FREE FOR ALL)
এটিও গান গেইমের মতো আটজন প্লেয়ার নিজে নিজে টিম। তবে এতে গান নিজেই সিলেক্ট করা যায়। সে গান দিয়ে যে আগে ২০ কিল করতে পারবে, সেই বিজয়ী হবে।

৭। স্নাইপার অনলি (SNIPER ONLY)
এটি টিম ডেথম্যাচ-এর একটি ভার্শন। তবে এতে দু'টি স্নাইপার গান দেয়া থাকে। যেকোনো একটি সিলেক্ট করে খেলতে হয়। এবং স্নাইপার বাদে আর কোনো গান ব্যবহার করা যায় না। 

৮। ওয়ান শট কিল (ONE SHOT KILL)
এই গেইমে আট জন প্লেয়ার সবাই নিজে জন্য খেলে। সবাইকে একটি করে পিস্তল দেয়া হয়। এই মোড-এর বৈশিষ্ট হল এতে এক শটের এনিমি মারা যায়। যা ২০ জন এনিমিকে আগে মারতে পারবে সেই বিজয়ী। খেলার কিছুক্ষণ পর এয়ার বক্স ম্যাপে কিছু জায়গায় পরে যা সংগ্রহ করলে পিস্তলের গুলির পরিমাণ বাড়ে।
বিঃদ্রঃ ওয়ান শট কিল টিম নামেও এই মোড দেয়া হয়, যেখানে দশ জন দুটি টিমে পাঁচ জন করে থাকে। তখন টিমের সম্মিলিত কিল সংখ্যা ৪০ যা টিমের আগে হয়ে তারাই বিজয়ী হবে।

এমন আরো অনেক ফিচারড মোড আছে। এগুলো কয়েকদিনের জন্য আসে আবার চলে যায়। তবে পরে আবার আরো কয়েকদিনের জন্য আসতে পারে।
Published: By: Jahirul Islam - 7:49 AM

Thursday, August 10, 2017

লিনাক্সে Samba ইন্সটল এবং কনফিগার করি


Samba is the standard Windows interoperability suite of programs for Linux and Unix.[1]
মানে Samba Windows আর Linux  সিস্টেমের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদানের মাধ্যম।
share folder Linux to windows
source: The Hacker News


অনেকেই এই তথ্য আদান-প্রদান করতে গিয়ে প্রথম যে সমস্যায় পরে তা হল Samba ইন্সটল করা। আজকে আমরা দেখব কিভাবে লিনাক্সে Samba ইন্সটল এবং কনফিগার করা যায়। (বিভিন্ন সমস্যার আলোকপাত সহ)

নোটঃ এখানে আমরা Debian based সিস্টেম নিয়ে আলোচনা করব।

১/ প্রথমেই Terminal খুলে নিচের Command গুলো দিন।

sudo apt-get update
sudo apt-get install samba samba-common python-glade2 system-config-samba
sudo touch /etc/libuser.conf
sudo chmod 777 /etc/libuser.conf



এতে করে আপনার সিস্টেমে ইন্সটল হয়ে যাবে। [link of bash file]

২/ এবার আপনার ফাইল শেয়ার করতে পারবেন। কিন্তু এখানে একটু সমস্যা আছে। আপনি শুধু আপনার সিস্টেম  ড্রাইভের ফাইলগুলো শেয়ার করতে পারবেন। কিন্তু অন্যান্য ড্রাইভে থাকা ফাইল শেয়ার করতে পারবেন না। এজন্য প্রথমে নিচের Command গুলো দিন।
sudo apt-get update
sudo apt-get install gedit
sudo gedit /etc/samba/smb.conf

নতুন একটি উইন্ডো খুলবে। এবার [global] এর পরে নিচের লাইনটি কপি-পেস্ট করুন।
wins support = yes

৩/ এবার সেভ করে Samba রিস্টার্ট দিন। Samba রিস্টার্ট দিতে নিচের Command গুলোদিন।
sudo systemctl restart smbd 
sudo systemctl restart nmbd

৪/ এবার আপনি যেকোনো ফাইল শেয়ার করতে পারবেন। আপনি তিনভাবে ফাইল শেয়ার করতে পারেন। এক, /etc/samba/smb.conf ফাইলটি তে লিখে। দুই, sudo system-config-samba ব্যবহার করে। তিন, সরাসরি রাইট মেনু থেকে।

এক,
sudo gedit /etc/samba/smb.conf দিয়ে smb.conf ফাইলটি খুলুন।  এখন ফাইলের একেবারে শেষে নিচের লাইনগুলো যোগ করুন।
[share]
    comment = Ubuntu File Server Share
    path = /path/of/the/file/or/folder/to/share
    browsable = yes
    guest ok = yes
    read only = no
    create mask = 0755

এখন ধাপ ৩ অনুসরণ করুন।

দুই,
মেইন মেনুতে Samba  খুঁজুন বা টার্মিনালে sudo system-config-samba লিখে এন্টার দিন। যে উইন্ডো খুলব এতে [+] এ ক্লিক করে Basic Tab এ Directory তে path লিখুন বা ব্রাউজ করুন। Share Name এ পছন্দমত নাম দিন। এর নিচে Writable আর Visible এ ঠিক দিন আপনার ইচ্ছামত। Access Tab এ Allow Access to everyone দিন। এবার Ok দিয়ে ধাপ ৩ অনুসরণ করুন।

তিন,
আপনি যে ফোল্ডার শেয়ার দিতে চান অতে কার্সর রেখে মাউসের রাইট বাটন চাপুন। এবার Sharing Option এ ক্লিক করুন। এখানে Share this Folder এ ক্লিক করুন। এবার নিচের দুটি অপশন থেকে আপনার পছন্দ মত ঠিক দিন। এবং Create Share এ চাপুন।

হয়ে গেল শেয়ার।


অনেকসময় দেখা যায় Lan এ শেয়ার হয়েছে ঠিকই কিন্তু পিসি উইন্ডোজে দেখাচ্ছে না। এজন্য উইন্ডোজের অ্যাড্রেসবারে \\hostname লিখে এন্টার দিন। hostname এর জন্য লিনাক্সের টার্মিনালে hostname লিখে এন্টার দিলে hostname চলে আসবে।
e.g. hostname=mini-blogger
So,
\\mini-blogger

বিঃদ্রঃ সহজভাবে samba শেয়ার বোঝানোর চেষ্টা করেছি। তাই ভাষার ভুল ত্রুটি মাফ করবেন। আর  কোন সাজেশন থাকলে কমেন্ট তো আছেই। আমি চেষ্টা করব নতুন কিছু থাকলে যোগ করে দিতে।

Published: By: Jahirul Islam - 7:16 PM

Wednesday, June 14, 2017

Share SWAP Partition on dual boot different Linux

SWAP parter of RAM


In Linux operating system the most common system partitions are 'root' partition and 'swap' partition. This 'swap' partition is like a misty for new Linux users. First of all there will be questions that how much of space is needed for 'swap' partition, is it really necessary, what benefit will be provided etc. But for now we will be discuss how to use single swap on multiple Linux system.

First things first, at beginning check your 'swap' is working or not. For that use 'free' command on terminal.[see on image<check swap>]. If 'Total' of 'Swap' is not 0 then you have working 'swap' partition. If not than your swap is not working.
Check Swap is working or not


I want to clear something now. If you did not create different swap for different Linux OS and selected same partition over and over then your latest install OS will have the working swap. For other OS's system cannot find the 'swap' partition because you change the UUID every time you install another OS.
Now, if you find 'Total' of 'Swap' with 'free' command for every OS you installed, then either you deleted 'swap' partition after install system or UUID is changed. This is no Problem. You just have to do an extra step. If you have a working 'swap' on any OS, boot into that system and go to step 2.

Step 1: Make a swap
Open your terminal. Type 'sudo fdisk -l'. This will show all the partitions the device has. You can use 'sudo fdisk -l | grep swap' to show only swap partition information.  Write down the partition Name/Device listed with swap. Example- '/dev/sda6' [see on image<swap info>].

swap info


Now Type this command on terminal 'sudo mkswap /devs/da6' It will make the swap partition usable and give you a UUID. Write down the UUID.

For make the swap working for the system, we need to change the fstab file. So, type 'sudo nano /etc/fstab'. Here you will see your corresponding system partitions. If there is any line like this 'UUID=842b4ddb-ee76-4e21-b3f3-8a2480144168 none            swap    sw              0       0', just change the UUID with your swap partition's written UUID. If there is no line with swap then
create a line at the end like way before.[No need to change other informations. Just the UUID]. [see on image <add swap>].

add swap



Save the file by pressing Ctrl+O and Enter. Now press Ctrl+X. Reboot the system and check if 'swap' is working or not by 'free' command.



Step 2: Use the swap for other system
At this point I'll assume that you have a working 'swap' partition for any OS and you booted into that OS.

There is two way to add the 'swap' partition on other OS. One is to boot on every OS and change the 'fstab' file. Second way is by changing 'fstab' file from current OS. I'll vote for second one. It is tricky but easy and no need to boot different time. I'll show second method.

Suppose, You have three OS - Ubuntu, Mint, Debian. Working 'swap' is with Ubuntu and you booted into Ubuntu. Type the command on terminal, 'sudo nano /etc/fstab', Copy the whole line with type 'swap'. Example, 'UUID=842b4ddb-ee76-4e21-b3f3-8a2480144168 none            swap    sw              0       0'. You can open a new document and save it for later use.

Now mount you other OS's drive by simply clicking on drive like '40 GB Volume'. This drive should mount on either /mnt or /media/user. Find where mounted and go there. Open terminal here and execute this command 'sudo nano /etc/fstab'. If there is any line contain swap type then delete it and paste the copied line. Save and exit by pressing Ctrl+O & Enter & Ctrl+X.

Do this for other OS.

Boot into other OS's and check if 'swap' is working or not by 'free' command.



Thank You for reading. I am open for any suggestion.
Published: By: Jahirul Islam - 12:53 AM

Monday, May 1, 2017

কিভাবে Linux Mint এ Ethernet কানেক্ট করব!


Linux Mint হল Linux জগতের দ্বিতীয় জনপ্রিয় ডিস্ট্রিবিউশন। এটি মূলত Ubuntu এর LTS মানে Long Term Support এর উত্তরসূরি। তাই এটি অনেক নিরাপদ আর স্থিতিশীল। আর Cinnamon ডেস্কটপ এনভাইরন্মেন্ট একে করেছে Windows ব্যবহারকারীদের কাছে স্বাচ্ছন্দের।

আজকে কিভাবে এতে Static Ethernet মানে Broadband কানেকশন দেওয়া যায় তা দেখব।

১। প্রথমে ডানে নিচে Network আইকনে ক্লিক করে Network Connections অপশনে ক্লিক করুন।


২। এখন খোলা উইন্ডোতে Wired connection 1 নামে Ethernet এর নিচে একটি connection থাকবে। ওতে ক্লিক করুন। এখন Edit সিলেক্ট করুন।


৩। খোলা উইন্ডোতে অপশনগুলো থেকে IPv4 Settings সিলেক্ট করুন।


৪। এবার এর নিচে Method এর সাথে ড্রপ-ডাউন মেনু থেকে Manuel সিলেক্ট করুন।


৫। এতে উইন্ডোটি নিচের মত আসবে। এখান হতে Add এ ক্লিক করুন।


৬। এবার একটু কৌশল করতে হবে। কারণ আপনাকে IP Address, Subnet Mask, Default Gateway দিতে হবে। এই তথ্যগুলো যদি আপনি না জানেন তাহলে নিছে দেখুন <কিভাবে windows এ Ethernet এর তথ্য জানা যায়>
Add Button চাপার পর Address এর ঠিক নিচের খালি জায়গায় Double ক্লিক করুন।
এখন আপনার IP Address লিখুন। যেমন-172.16.200.25
এবার Tab বাটন একবার চেপে Subnet Mask লিখুন। যেমন-255.255.255.0
আবার Tab চেপে Default Gateway দিন। যেমন-172.16.200.1
এবার Enter চাপুন।
এরপর DNS servers এর ডান পাশের খালি ঘরে 8.8.8.8, 4.2.2.2 লিখে নিচের Save বাটন চাপুন।


৭। আপনার পিসি এখন ইন্টারনেটের সাথে কানেক্ট হয়ে যাবে। না হলে Network Off করে আবার On করুন।



কিভাবে windows এ Ethernet এর তথ্য জানবেনঃ
প্রথমত, আপনি আপনার ইন্টারনেট প্রোভাইডারের কাছথেকে এই তথ্য গুলো জানতে পারেন আবার আপনার নিজ পিসিতে যদি আগে থেকে প্রোভাইডার এসব সেট করে দিয়ে থাকে তাহলে নিচের পদ্ধতিতে জেনে নিতে পারেন। আপনার ইন্টারনেট যদি Static type এর হয় মানে Manual কানেকশন হয় তাহলেই এই মেথড কাজ করবে।





তো, আজ এপর্যন্তই। আশা করি ভবিষ্যতে আবার দেখা হবে নতুন কোনো টপিক নিয়ে।

বিঃদ্রঃ
১। আপনার মূল্যবান মতামত কমেন্টে দিতে ভুলবেন না।
২। ভূল-ভ্রান্তি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখে শুধরে দিলে উপকৃত হব।
Published: By: Jahirul Islam - 4:13 AM

Thursday, February 9, 2017

ফন্ট পরিবর্তন করিঃ কম্পিউটার(windows registry hack)


আমরা কম্পিউটার ব্যবহারের সময় স্কিনে যে ফন্ট দেখি সেটা Microsoft এর ডিফল্ট ফন্ট। সাধারণত windows আমাদের ফন্ট পরিবর্তন করতে দেয় না। কিন্তু, আমরা একটু বুদ্ধি খাটিয়ে এই কাজটি সহজে করতে পারি। আর সেই পদ্ধতিটি হল Registry পরিবর্তন করে।

Registry হল “The Windows Registry is a hierarchical database that stores low-level settings for the Microsoft Windows operating system”[1]. মানে Registry হল এমন একটি জায়গা যেখানে Microsoft Windows operating system এর low-level settings মানে মেশিন লেভেল এর সেটিংস থাকে। সহজ ভাবে, যেখানে সব সেটিংস থাকে।

পদ্ধতি ১ঃ
১/ প্রথমে run এ যান। run এ যেতে win+R চাপুন।
২/ এখন regedit লিখে Enter চাপুন। এবং Yes দিন। এইরকম একটি ছবি দেখতে পাবেন।


৩/ এবার [HKEY_LOCAL_MACHINE\SOFTWARE\Microsoft\Windows NT\CurrentVersion\FontSubstitutes] সাব-ফোল্ডারে যান।



৪/ এখন FontSubstitutes এর আন্ডারে Segoe UI নামের একটি রেজিস্ট্রি আছে। এটাতে Double Click করুন। Value Data হিসেবে আপনার ইচ্ছানুযায়ী ফন্ট এর নাম লিখুন। ওকে দিন।



৫/ এবার পিসি রিস্টার্ট দিন। আর দেখুন ম্যাজিক।


পদ্ধতি ২ঃ
এই পদ্ধতিতে উপরের মত এত ঝামেলা পোহাতে হয় না বার বার। একবার করে নিলেই হয়। এরপর শুধু Change && Run.
১/ প্রথমে এই ফাইলটি ডাউনলোড করে নিন। এবং সরাসরি ধাপ ৫ এ যান।
অথবা,
Notepad ওপেন করুন এবং নিচের মত করে হুবুহু লিখে ফেলুন বা Ctrl+C && Ctrl+V.

Windows Registry Editor Version 5.00

[HKEY_LOCAL_MACHINE\SOFTWARE\Microsoft\Windows NT\CurrentVersion\Fonts] 
"Segoe UI (TrueType)"=""
"Segoe UI (TrueType)"=""
"Segoe UI Black (TrueType)"=""
"Segoe UI Black Italic (TrueType)"=""
"Segoe UI Bold (TrueType)"=""
"Segoe UI Bold Italic (TrueType)"=""
"Segoe UI Historic (TrueType)"=""
"Segoe UI Italic (TrueType)"=""
"Segoe UI Light (TrueType)"=""
"Segoe UI Light Italic (TrueType)"=""
"Segoe UI Semibold (TrueType)"=""
"Segoe UI Semibold Italic (TrueType)"=""
"Segoe UI Semilight (TrueType)"=""
"Segoe UI Semilight Italic (TrueType)"=""

[HKEY_LOCAL_MACHINE\SOFTWARE\Microsoft\Windows NT\CurrentVersion\FontSubstitutes]
"Segoe UI"="Arial"

এবার শুধু Arial এর জায়গায় পছন্দ মত ফন্টের নাম লিখুন।
২/ এখন Ctrl+S চাপুন। পছন্দমত নাম দিন এবং শেষে .reg লিখে দিন। ওকে করুন ।
৩/ এবার File এ Double Click করুন এবং OK OK দিন।
৪/ এবার পিসি রিস্টার্ট দিলেই কেল্লাফতে।
৫/ এরপর যখনই ফন্ট পরিবর্তন করতে ইচ্ছা হবে .reg file টা notepad এ ওপেন করে "Segoe UI"="Arial", এখানে Arial এর জায়গায় পছন্দ মত ফন্টের নাম এবং ২, ৩, ৪ ধাপ পুনরায়।


Note: Feel free to comment

রেফারেন্সঃ


Published: By: Jahirul Islam - 3:32 PM